MAYAJAAL INTERNATIONAL
Overseas Employment
পর্তুগাল · D1 ওয়ার্ক ভিসা
অন্য গন্তব্য
সংযুক্ত আরব আমিরাত · Transguard মালডোভা সাইপ্রাস রোমানিয়া মাল্টা সব গন্তব্য
DAC
LIS
গন্তব্য · পর্তুগাল

পর্তুগাল- D1 
ভিসার মাধ্যমে কর্মসংস্থান

পর্তুগালে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ। কাজের ধরন, বেতন, চুক্তি, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, মোট ব্যয় এবং সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া—আবেদনের আগেই বিস্তারিত জেনে নিন।

ভিডিও

প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ ভিডিওতে দেখুন

MAYAJAAL INTERNATIONALD1 Work Visa
ভিডিও শীঘ্রই যুক্ত হবে
তোরে দে বেলেঁ, লিসবন
TORRE DE BELÉM · LISBOA · ILLUSTRATION
প্রতিষ্ঠান

আমাদের সম্পর্কেঃ

মায়াজাল ইন্টারন্যাশনাল পর্তুগালে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত প্রার্থী নির্বাচন, ডকুমেন্টেশন ও সমন্বয় কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং পর্তুগালের লাইসেন্সপ্রাপ্ত নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় কর্মসংস্থান কার্যক্রম পরিচালনা করে।

D1 হলো পর্তুগালে অধীনস্থ কর্মসংস্থানের জন্য Residence Visa। এটি স্বল্পমেয়াদি মৌসুমি কাজের ভিসা নয়; বৈধ চাকরির ভিত্তিতে পর্তুগালে গিয়ে পরবর্তী ধাপে Residence Permit-এর জন্য আবেদন করার সুযোগ থাকে।

D1-এ পর্তুগালের ভিতরে যে কোনো জায়গায় এবং যেকোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পারমিট থাকে। এবং নির্দিষ্ট সময় পরে শর্তাবলী পুরন করে নাগরিকত্ব লাভ সহ ফ্যামিলি রিইউনিফিকেশনের মাধ্যমে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ও নিয়ে আসতে পারবেন।

মায়াজাল ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ থেকে যোগ্য প্রার্থী সংগ্রহ, প্রাথমিক যাচাই এবং নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা করে। নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য পর্তুগালের সহযোগী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান Wonderful Embrace — Empresa de Trabalho Temporário, LDA.-এর সঙ্গে কর্মসংস্থান ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন সমন্বয় করা হয় এবং D1 Residence Visa প্রক্রিয়ার কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

বাংলাদেশে Candidate Screening থেকে শুরু করে পর্তুগালে Employment Coordination পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি নির্ধারিত ধাপে পরিচালিত হয়।

আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালে প্রতি ১৫ দিন অন্তর প্রার্থীকে বর্তমান অগ্রগতি, সম্পন্ন হওয়া ধাপ এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে অবহিত করা হবে। কোনো জরুরি আপডেট বা অতিরিক্ত পদক্ষেপ প্রয়োজন হলে তা যথাসময়ে জানানো হবে।

লিখিতভাবে জানানো কোনো প্রশ্ন বা অভিযোগ যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মায়াজাল ইন্টারন্যাশনাল, মায়াজাল চ্যানেলের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থান কার্যক্রমের বিশেষায়িত অংশ, যা বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য Candidate Screening, Documentation এবং Employment Coordination পরিচালনা করে।
কাজের তালিকা

কী কাজ করবেন, আর কোথায়

বেরি জাতীয় ফল সংগ্রহ, বাছাই ও প্যাকিং কার্যক্রম
দায়িত্ব ও কাজের বিবরণ
নির্বাচিত কর্মীদের প্রধান দায়িত্বের মধ্যে থাকবে রাসবেরি, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরিসহ বিভিন্ন বেরি জাতীয় ফল সংগ্রহ, বাছাই ও প্যাকিং। কর্মসংস্থানের প্রয়োজন অনুযায়ী নার্সারি, গ্রিনহাউস, কৃষিখামার এবং পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত অন্যান্য দায়িত্বও প্রদান করা হতে পারে।
কাজের অধিকাংশই বিভিন্ন খামার বা সংশ্লিষ্ট কর্মস্থলে পরিচালিত হবে। একজন প্রার্থী কোন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করবেন, তা সংশ্লিষ্ট কোম্পানি নির্ধারণ করবে এবং প্রার্থীর নামে ইস্যুকৃত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে কর্মস্থলের বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।
আইন অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে ন্যূনতম ১ দিন সাপ্তাহিক ছুটি প্রযোজ্য। অধিকাংশ চুক্তিতে এর পাশাপাশি অতিরিক্ত একটি বিশ্রাম দিবসের ব্যবস্থা থাকতে পারে। তবে মৌসুমি কাজের চাপ ও কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ছুটির সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে।

কোথায় কাজ করবেন

কর্মস্থল পর্তুগালের বিভিন্ন কৃষি অঞ্চল বা সংশ্লিষ্ট কর্মস্থলে হতে পারে। আপনার নির্দিষ্ট কর্মস্থল সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত হবে এবং তা আপনার নামে ইস্যুকৃত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে উল্লেখ থাকবে।

স্যালারী

স্যালারি, ওভারটাইম ও অন্যান্য সুবিধা

পর্তুগালের মূল ভূখণ্ডে ২০২৬ সালের জন্য সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম মাসিক বেতন €৯২০। অর্থাৎ সাধারণ পূর্ণকালীন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে, প্রযোজ্য বিশেষ আইনি ব্যতিক্রম ছাড়া, কোনো নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এর চেয়ে কম মাসিক বেতন নির্ধারণ করতে পারে না। 

এই কর্মসংস্থানে ঘণ্টাভিত্তিক বেতনের হার €৫.৫০। কাজের মোট ঘণ্টা বাড়লে সেই অনুযায়ী মাসিক আয়ও বৃদ্ধি পায়।

কাজের হিসাবইউরোতে হিসাববাংলাদেশি টাকায় আনুমানিক*
২১ দিন × ৮ ঘণ্টা€৯২৪৳১,২৯,৩৬০
২৬ দিন × ১০ ঘণ্টা€১,৪৩০৳২,০০,২০০
২৬ দিন × ১১ ঘণ্টা€১,৫৭৩৳২,২০,২২০
২৬ দিন × ১২ ঘণ্টা€১,৭১৬৳২,৪০,২৪০

সহজভাবে বললে: নিয়মিত কর্মঘণ্টায় মাসিক বেতন ন্যূনতম বেতনসীমার কাছাকাছি থেকে শুরু হতে পারে। কাজের সুযোগ ও আইনসম্মত ওভারটাইম বাড়লে মোট মাসিক আয় ৳২.৪০ লাখ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।

মনে রাখবেন: উপরের চার্টটি শুধুমাত্র বেসিক €৫.৫০ ঘণ্টা-রেট ধরে হিসাব বোঝানোর উদাহরণ। ১০–১২ ঘণ্টার কর্মদিবস সব ক্ষেত্রে নিয়মিত বা নিশ্চিত কর্মসূচি নয়। প্রকৃত কর্মঘণ্টা, ওভারটাইম এবং বেতন সংশ্লিষ্ট চুক্তি ও পর্তুগালের প্রযোজ্য শ্রম আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
*বাংলাদেশি টাকার পরিমাণ €১ = ৳১৪০ ধরে আনুমানিকভাবে দেখানো হয়েছে।

কোম্পানি যা দিবে, আর যা দিবে না

প্রাথমিক আবাসন ব্যবস্থাপর্তুগালে পৌঁছানোর পর প্রাথমিকভাবে কোম্পানি আবাসনের ব্যবস্থা করবে। এয়ারপোর্ট থেকে নির্ধারিত আবাসনে পৌঁছানোর প্রয়োজনীয় সমন্বয়ও কোম্পানির পক্ষ থেকে করা হবে।
পরবর্তী আবাসন ও ভাড়াপ্রাথমিক সময়ের পর আবাসনের ভাড়া ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগত ব্যয় কর্মীকে নিজ দায়িত্বে বহন করতে হবে।
কর্মস্থলে যাতায়াতনির্ধারিত কর্মস্থলে যাতায়াতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রদান করা হবে।
স্বাস্থ্যবিমাপ্রযোজ্য চুক্তি ও নীতিমালা অনুযায়ী কর্মীর স্বাস্থ্যবিমার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা কোম্পানি করবে।
কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা বীমাপ্রযোজ্য আইন অনুযায়ী নিয়োগকর্তা কর্মীর জন্য বাধ্যতামূলক কর্মদুর্ঘটনা বীমার ব্যবস্থা করবে।
খাবার ও দৈনন্দিন ব্যয়সাধারণভাবে খাবার ও ব্যক্তিগত দৈনন্দিন ব্যয় কর্মীর নিজস্ব। তবে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা কর্মস্থলভেদে খাবার কিংবা অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করা হতে পারে।

চুক্তি, কর্মসংস্থান ও দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ

প্রতিটি নির্বাচিত প্রার্থীর জন্য সাধারণত ৬ মাস থেকে ১ বছর মেয়াদি প্রাথমিক কর্মচুক্তি নির্ধারিত থাকবে। চুক্তির মেয়াদ, কর্মস্থল, দায়িত্ব, বেতন, কর্মঘণ্টা এবং অন্যান্য প্রযোজ্য শর্ত প্রার্থীর নিজস্ব চুক্তিপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হবে।

আমাদের কার্যক্রম শুধুমাত্র ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান মূলত নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যেই প্রার্থী নির্বাচন, নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় ইমিগ্রেশন ও কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। একজন কর্মীকে পর্তুগালে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিয়োগ, ডকুমেন্টেশন, প্রশাসনিক কার্যক্রম, আবাসন-সংক্রান্ত প্রস্তুতি এবং অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় কোম্পানির উল্লেখযোগ্য সময় ও ব্যয় সম্পৃক্ত থাকে।

এই কারণে প্রার্থীর কাছ থেকে প্রত্যাশা করা হয় যে, তিনি পর্তুগালে পৌঁছানোর পর তার প্রাথমিক ৬ মাস বা ১ বছরের কর্মচুক্তির শর্ত যথাযথভাবে পালন করবেন এবং চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করবেন। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে চাকরি পরিবর্তন বা চুক্তি সমাপ্তির প্রয়োজন হলে তা সংশ্লিষ্ট কর্মচুক্তি এবং পর্তুগালের প্রযোজ্য শ্রম আইন অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হবে।

প্রাথমিক চুক্তির মেয়াদ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর কর্মীর সামনে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে। কর্মী ও নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান উভয় পক্ষ সম্মত হলে চুক্তি পুনরায় নবায়ন করা যাবে এবং এভাবে একই প্রতিষ্ঠানে বছরের পর বছর ধারাবাহিকভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। অর্থাৎ একজন কর্মী চাইলে শুধুমাত্র এক বছরের জন্য নয়, ভালো কর্মসম্পর্ক ও পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বছরের পর বছর একই প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবন চালিয়ে যেতে পারবেন।

অন্যদিকে, প্রাথমিক চুক্তির মেয়াদ সম্পন্ন হওয়ার পর কর্মী চাইলে চুক্তি নবায়ন না করে পর্তুগালের প্রচলিত আইন, তার রেসিডেন্স স্ট্যাটাস এবং প্রযোজ্য নিয়ম অনুসরণ করে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগও বিবেচনা করতে পারবেন।

পর্তুগালে পৌঁছানোর পর রেসিডেন্স প্রক্রিয়া

পর্তুগালে পৌঁছানোর পর প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী AIMA-এর মাধ্যমে রেসিডেন্স পারমিট সংক্রান্ত পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে পাসপোর্ট, বৈধ ভিসা, কর্মসংস্থানের প্রমাণ এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য নথি ব্যবহার করা হবে।

রেসিডেন্স কার্ড ইস্যুর সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও প্রসেসিং সময়ের ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময়কে নিশ্চিত সময়সীমা হিসেবে বিবেচনা না করে প্রার্থীদের প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে প্রয়োজন অনুযায়ী অবহিত করা হবে।

রেসিডেন্স পারমিট পর্তুগালে বৈধভাবে বসবাসের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করে এবং ভবিষ্যতে নবায়নসহ অন্যান্য বৈধ অভিবাসন-সংক্রান্ত কার্যক্রমে প্রয়োজন হতে পারে।

যাওয়ার আগেই যা স্পষ্টভাবে জানানো হবে

পর্তুগালে যাওয়ার আগেই প্রার্থীর চাকরির ধরন, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, প্রাথমিক কর্মস্থল, বেতন কাঠামো, কর্মঘণ্টা, চুক্তির মেয়াদ এবং গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলি যথাসম্ভব লিখিতভাবে জানানো হবে।

এর উদ্দেশ্য হলো—প্রার্থী যেন পর্তুগালে পৌঁছানোর পর নতুন করে চাকরি খোঁজার অনিশ্চয়তায় না পড়েন এবং যাওয়ার আগেই নিজের কর্মসংস্থান সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য: এই কর্মসূচি কোনো “শুধু ভিসা নিয়ে পর্তুগালে যাওয়ার” ব্যবস্থা নয়; এটি একটি চুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান প্রক্রিয়া। তাই আবেদন করার আগে প্রত্যেক প্রার্থীর উচিত প্রাথমিক কর্মচুক্তির মেয়াদ ও দায়িত্বগুলো ভালোভাবে বুঝে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া।

খরচ

মোট ব্যয় কত হবে

সর্বমোট নির্ধারিত ব্যয়:৳২৩,০০,০০০

মোট নির্ধারিত ব্যয়ের মধ্যে নিম্নোক্ত সেবা ও কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত থাকবে:

  • পর্তুগালের সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ও নিয়োগকর্তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয়
  • আবেদন ফাইল প্রস্তুতকরণ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সমন্বয়
  • ইন্ডিয়ার অ্যাপয়েন্টমেন্ট
  • ভিসা আবেদন ও প্রসেসিং সংক্রান্ত কার্যক্রম
  • প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্পিং ও ইন্স্যুরেন্স সংক্রান্ত কার্যক্রম
  • বাংলাদেশ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট অ্যাটেস্টেশন এবং দূতাবাসে ফাইল জমাদানের সমন্বয়
  • পর্তুগালে পৌঁছানোর পর NIF (Tax Identification Number) এবং NISS (Social Security Identification Number) করিয়ে দেয়া।
পেমেন্ট

পেমেন্টের ধাপ ও পরিশোধ নীতি

সম্পূর্ণ অর্থ একসঙ্গে পরিশোধ করতে হবে না। মোট নির্ধারিত ব্যয় তিনটি ধাপে পরিশোধযোগ্য এবং প্রতিটি ধাপ আবেদন প্রক্রিয়ার একটি নির্দিষ্ট অগ্রগতির সঙ্গে সম্পর্কিত।

ধাপ ১ চুক্তিপত্রে স্বাক্ষরের সময় ৳৩,০০,০০০
ধাপ ২ ইন্ডিয়ায় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত হওয়ার পর ৳২,০০,০০০
ধাপ ৩ ভিসা অনুমোদনের পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বুঝে নেওয়ার সময় ৳১৮,০০,০০০

প্রাথমিক চুক্তি জামানত

প্রথম ধাপে পরিশোধযোগ্য ৳৩,০০,০০০ প্রাথমিক চুক্তি জামানত (সেফটি মানি) হিসেবে বিবেচিত হবে। চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রার্থীর আবেদন ফাইল প্রস্তুত ও পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রার্থীর নিজস্ব কোনো ভুল, তথ্য গোপন, জাল বা অসত্য কাগজপত্র কিংবা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের কারণ ব্যতীত ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে, চুক্তিতে উল্লেখিত ফেরত নীতি অনুযায়ী কোম্পানির কাছে পরিশোধিত অর্থ ফেরত প্রদান করা হবে।

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফেরতযোগ্য অর্থ প্রার্থীর নিজ নামে থাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ব্যাংক ট্রান্সফার অথবা অফিসিয়াল চেকের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে কোম্পানির কাছে জমা থাকা প্রার্থীর মূল কাগজপত্র ফেরত দেওয়া হবে।

যেসব ব্যয় ও ক্ষেত্রে অর্থ ফেরতযোগ্য নয়

  • প্রার্থী নিজ সিদ্ধান্তে প্রক্রিয়া থেকে সরে যান বা শেষ পর্যায় পর্যন্ত যেতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন;
  • নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরবর্তী ধাপের প্রয়োজনীয় অর্থ পরিশোধ না করেন;
  • পূর্ববর্তী বিদেশ ভ্রমণ বা অবস্থানসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের কারণে আবেদন বাতিল বা প্রত্যাখ্যাত হয়;
  • যাচাইয়ের সময় কোনো কাগজপত্র জাল, পরিবর্তিত বা অসত্য প্রমাণিত হয়;
  • আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালে দীর্ঘ সময় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকে এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়।

চুক্তি ও জামিনদার

প্রার্থীর সঙ্গে প্রয়োজনীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে লিখিত চুক্তি সম্পাদিত হবে। পাশাপাশি ৳১০০ মূল্যমানের স্ট্যাম্পে নোটারিকৃত চুক্তিনামা প্রস্তুত করা হবে, যেখানে প্রার্থীর পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য, স্থায়ী ঠিকানা, পেমেন্টের ধাপ এবং উভয় পক্ষের গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলি উল্লেখ থাকবে।

চুক্তির অংশ হিসেবে পরিবারের পক্ষ থেকে একজন জামিনদার প্রয়োজন হবে। তাই চুক্তি সম্পাদনের দিন নির্ধারিত জামিনদারকে সঙ্গে উপস্থিত থাকতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে।

বিস্তারিত

প্রতিটা ধাপে ঠিক কী হবে

নয় ধাপ। প্রতিটার উপর ছুঁলে বিস্তারিত খুলবে।

ধাপ ১ — আবেদন

মায়াজাল ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইটে নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করে আবেদন জমা দিন। প্রাথমিক আবেদন জমা দেওয়ার জন্য কোনো ফি প্রযোজ্য নয়। ফর্মে ব্যক্তিগত তথ্য, পাসপোর্ট, যোগাযোগের তথ্য, পূর্ববর্তী ভ্রমণ ইতিহাস এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করতে হবে।

ধাপ ২ — প্রাথমিক যাচাই

আবেদন পাওয়ার পর আমাদের টিম প্রার্থীর তথ্য ও কাগজপত্র প্রাথমিকভাবে পর্যালোচনা করবে। এ পর্যায়ে পাসপোর্টের বৈধতা, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, পূর্ববর্তী ভ্রমণ ইতিহাস এবং প্রদত্ত তথ্যের সামঞ্জস্য যাচাই করা হবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত তথ্য বা কাগজপত্র চাওয়া হতে পারে।

ধাপ ৩ — ফোনে প্রাথমিক আলোচনা

প্রাথমিক যাচাইয়ে উপযুক্ত বিবেচিত প্রার্থীদের সঙ্গে ফোনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হবে। কাজের ধরন, প্রার্থীর প্রস্তুতি এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা হবে। এই পর্যায়ে কোনো ফি নেওয়া হবে না।

ধাপ ৪ — অফিসে বিস্তারিত আলোচনা

পরবর্তী ধাপে প্রার্থীকে অফিসে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এখানে চাকরির ধরন, কর্মঘণ্টা, বেতন কাঠামো, সম্ভাব্য ব্যয়, চুক্তির মেয়াদ এবং উভয় পক্ষের দায়িত্ব বিস্তারিতভাবে জানানো হবে। প্রার্থী প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করার এবং কাগজপত্র পর্যালোচনার সুযোগ পাবেন।

ধাপ ৫ — সিদ্ধান্ত গ্রহণ

সব তথ্য ও শর্ত বুঝে নেওয়ার পর প্রার্থী প্রয়োজনীয় সময় নিয়ে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চাকরির ধরন, মোট ব্যয়, নিজস্ব খরচ, পেমেন্টের ধাপ এবং প্রক্রিয়ার সম্ভাব্য সময়সীমা বিবেচনা করা উচিত।

ধাপ ৬ — চুক্তি ও ডকুমেন্টেশন

চূড়ান্তভাবে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হলে প্রার্থীর সঙ্গে লিখিত চুক্তি সম্পন্ন করা হবে এবং নির্ধারিত পেমেন্ট সূচি অনুযায়ী প্রথম ধাপের অর্থ পরিশোধ করা হবে।

এই দিন প্রার্থীকে প্রাথমিক ফাইল তৈরির জন্য নিম্নোক্ত কাগজপত্র সঙ্গে আনতে হবে:

  • মূল বৈধ পাসপোর্ট
  • পাসপোর্টের তথ্য পেজের রঙিন ফটোকপি
  • জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
  • সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি
  • Police Clearance Certificate — প্রস্তুত থাকলে
  • শিক্ষাগত বা কাজের অভিজ্ঞতার সনদ — প্রযোজ্য হলে
  • পূর্ববর্তী বিদেশ ভ্রমণ বা ভিসার কপি — প্রযোজ্য হলে
  • বর্তমান ঠিকানা ও যোগাযোগসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য

চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর প্রার্থীর ফাইল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তুত করা হবে এবং পরবর্তী পর্যায়ের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট যাচাই ও সমন্বয় শুরু হবে।

একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: VFS Portugal New Delhi-এর D1 checklist অনুযায়ী বাংলাদেশি আবেদনকারীর পাসপোর্টে যথেষ্ট validity এবং অন্তত দুইটি খালি পৃষ্ঠা থাকা প্রয়োজন, তাই চুক্তির দিনই এগুলো যাচাই করে নেওয়া ভালো।

ধাপ ৭ — কর্মসংস্থান সমন্বয় ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন সম্পন্ন হওয়ার পর নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্মসংস্থান ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের সমন্বয় করা হবে। এরপর ভিসা আবেদন ও বায়োমেট্রিকের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু হবে। অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করবে।

ধাপ ৮ — ভিসা আবেদন ও বায়োমেট্রিক

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত হলে প্রার্থীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও কাগজপত্র প্রস্তুত করে দেওয়া হবে। নির্ধারিত আবেদন কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভিসা আবেদন, বায়োমেট্রিক এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে। কোথায়, কখন এবং কীভাবে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে, তা আগেই জানানো হবে।

ধাপ ৯ — ভিসার সিদ্ধান্ত ও যাত্রা

ভিসার সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়া ও সময়সীমার ওপর নির্ভরশীল। ভিসা অনুমোদিত হলে প্রয়োজনীয় অবশিষ্ট আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে পাসপোর্ট, ভিসা ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র প্রার্থীকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এরপর পর্তুগাল যাত্রার সময়সূচি ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পর্কে জানানো হবে।

মোট কতদিন লাগবে

চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর থেকে পর্তুগালে পৌঁছানো পর্যন্ত আনুমানিক ৩ থেকে ৪ মাস। ফাইল জমা থেকে ভিসার ফলাফল পর্যন্ত প্রায় দুই মাস, তার সাথে স্ট্যাম্পিং, পেমেন্ট আর টিকিটের সময় যোগ হবে।

পর্তুগিজ বাতিঘর
FAROL · COSTA PORTUGUESA · ILLUSTRATION
পৌঁছানোর পর

পর্তুগালে
পৌঁছানোর পর

পৌঁছানোর পর ঠিক কী কী হবে, সেটা আগে থেকে জেনে রাখা ভালো।

এয়ারপোর্টে নামার পর

কোম্পানির লোক আপনাকে রিসিভ করে আগে থেকে ঠিক করে রাখা থাকার জায়গায় পৌঁছে দিবে। মানে নেমে গিয়ে বাসা খুঁজতে হবে না। এয়ারপোর্টে নেমে অপরিচিত কারও সাথে কোথাও যাবেন না, যাত্রার আগে আপনাকে যে যোগাযোগের তথ্য দেওয়া হবে শুধু সেটাই ধরবেন।

পরিবার

পরিবারকে পর্তুগালে নেওয়ার সুযোগ

পর্তুগালে বৈধ রেসিডেন্স পারমিট পাওয়ার পর, প্রযোজ্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে Family Reunification (পারিবারিক পুনর্মিলন)-এর মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের পর্তুগালে নেওয়ার জন্য আবেদন করা যায়।

সাধারণভাবে এর আওতায় স্বামী/স্ত্রী, নাবালক বা নির্ভরশীল সন্তান এবং নির্দিষ্ট শর্তে নির্ভরশীল বাবা-মা অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। 

আবেদনের ক্ষেত্রে পারিবারিক সম্পর্কের প্রমাণ, বৈধ রেসিডেন্স পারমিট, আবাসনের তথ্য এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র জমা দিতে হয়। চূড়ান্ত অনুমোদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। 

নাবালক সন্তান আর প্রতিবন্ধী নির্ভরশীলদের ক্ষেত্রে অপেক্ষার এই সময় লাগে না।

পরিবার নেওয়ার যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সম্ভাব্য ব্যয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করা হবে।

যাচাই

নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন ও লাইসেন্স বিবরণ

Mayajaal-এর Operational Partner

Wonderful Embrace — Empresa de Trabalho Temporário, LDA.

Alvará লাইসেন্স৯৮৬/২৪
রেজিস্ট্রেশন · NIPC৫১৭-৮৮৫-৭৩৫
ঠিকানাRua do Passal, Lote 8, A, 7630-637 São Teotónio, Portugal

iefponline.iefp.pt

ডকুমেন্টেশন ও অনবোর্ডিং প্রসেস

Online Screening → Khulna Onboarding → Dhaka Visa Processing → Final Submission → Departure

প্রাথমিক যাচাই সফলভাবে সম্পন্ন হলে নির্বাচিত প্রার্থী Documentation & Onboarding Stage-এ প্রবেশ করবেন।

এই পর্যায়ে নির্ধারিত প্রসেসিং অফিসে প্রার্থীর মূল কাগজপত্র যাচাই, আবেদনসংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থানের শর্ত পর্যালোচনা, প্রয়োজনীয় চুক্তি সম্পাদন এবং পরবর্তী ভিসা প্রসেসের জন্য ফাইল চূড়ান্ত করা হবে।

Stage 1 — Documentation & Onboarding
নির্ধারিত প্রসেসিং অফিস: খুলনা

এই ধাপ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রার্থীর ফাইল পরবর্তী পর্যায়ে অগ্রসর হবে।

Stage 2 — Visa Coordination & Final Processing
পরবর্তী ভিসা সমন্বয়, সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টেশন এবং প্রি-ডিপার্চার কার্যক্রম ঢাকা ব্রাঞ্চের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

প্রতিটি ধাপ পূর্বনির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট তারিখ, সময়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নির্দেশনা আগেই জানানো হবে।

STAGE 01

Documentation & Onboarding

Khulna Processing Office

মূল কাগজপত্র যাচাই, আবেদনসংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিতকরণ, চুক্তি সম্পাদন এবং ফাইল প্রস্তুতি

ঠিকানা৪৪ বিল্ডিং, ৫ম তলা, রোড নং ১৪, সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা, ফেজ–২, খুলনা সদর, খুলনা
অফিস সময়সকাল ১০টা – বিকেল ৬টা
সাপ্তাহিক ছুটিশুক্রবার
STAGE 02

Dhaka Visa Coordination & Final Processing

Dhaka Coordination Stage

ভিসা সমন্বয়, পরবর্তী ডকুমেন্টেশন, ফাইনাল প্রসেসিং এবং Pre-Departure Coordination

প্রার্থীর ফাইল এই পর্যায়ে পৌঁছালে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ঢাকা থেকে সমন্বিতভাবে পরিচালিত হবে
প্রয়োজনীয় সময়সূচি ও পরবর্তী নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে প্রদান করা হবে
Appointment & Process Based

Stage 1 সম্পন্ন হওয়ার পর প্রার্থীর ফাইল Dhaka Visa Coordination Stage-এ অগ্রসর হবে এবং পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট টিমের মাধ্যমে সমন্বয় করা হবে।

FAQ

আবেদন করতে কি কোনো টাকা লাগবে?

না। আবেদন, প্রাথমিক যাচাই, ফোন ইন্টারভিউ আর অফিস ইন্টারভিউ, কোনোটাতেই টাকা লাগবে না। আমাদের কাছে প্রথম টাকা জমা দিবেন চুক্তিপত্রে স্বাক্ষরের সময়। তবে তার আগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের খরচ আপনার নিজের।

ফর্ম পূরণ করলেই কি নির্বাচন নিশ্চিত?

না। কাগজপত্রের যাচাই আছে, ফোন ইন্টারভিউ আছে, অফিস ইন্টারভিউ আছে। প্রতিটা ধাপ পার হওয়ার পরেই চুক্তির কথা আসবে। আপনি যোগ্য বিবেচিত হলে আমরা নিজে থেকেই যোগাযোগ করব।

দিল্লিতে কি অন্য কেউ আমার হয়ে যেতে পারবে?

না। ভিএফএসে ফাইল জমা আর বায়োমেট্রিক আপনাকে নিজে গিয়ে দিতে হবে। আবেদনও হবে আপনার নিজের ইমেইল দিয়ে, তাই দূতাবাস আর ভিএফএসের সব বার্তা সরাসরি আপনার কাছে আসবে।

আমার আবেদন কোন অবস্থায় আছে, জানব কীভাবে?

প্রতি ১৫ দিন অন্তর আমরা জানাব, আর জরুরি কিছু হলে সাথে সাথে। লিখিত প্রশ্ন বা অভিযোগের উত্তর ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পাবেন।

একই সাথে অন্য কোথাও আবেদন করা যাবে?

একই কাজের জন্য একই সময়ে অন্য মাধ্যমে সমান্তরাল আরেকটা আবেদন চালু রাখা যাবে না। দুইটা ফাইল একসাথে চললে দূতাবাসে জটিলতা তৈরি হবে।

আগে কোনো দেশের ভিসা রিজেক্ট হয়েছিল, বলতে হবে?

হ্যাঁ, বলবেন। আগের রিজেকশন যাচাইয়ের সময় এমনিতেই ধরা পড়ে, আর আগে থেকে জানা থাকলে আমরা ফাইলটা সেভাবেই গোছাতে পারব। শুরুতেই বলে রাখাটা আপনার নিজের জন্যই ভালো।

আগে কোনো অসুস্থতা বা অপারেশন ছিল, বলতে হবে?

হ্যাঁ, বলবেন। কাজটা শারীরিক পরিশ্রমের, তাই আগে থেকে জানানো থাকলে আপনার জন্যই ভালো।

মেয়াদ শেষে কি অন্য কোম্পানিতে যেতে পারব?

পারবেন। শুরুর ৬ মাস থেকে ১ বছর আমাদের সহযোগী কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ থাকতে হবে। তার পর পর্তুগালের ভিতরে যেকোনো জায়গায় কাজ করতে পারবেন।

পর্তুগিজ ভাষা জানতে হবে?

না, ভাষার কোনো শর্ত নেই।

ফেসবুকে বা ইনবক্সে কেউ প্রস্তাব দিলে?

সকল আবেদন একটি নির্ধারিত ও কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। কেউ আলাদা লিংক দিলে, ব্যক্তিগতভাবে আবেদন করে দেওয়ার কথা বললে বা টাকা চাইলে সতর্ক থাকুন। অননুমোদিত ব্যক্তি বা তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে মায়াজাল ইন্টারন্যাশনালের কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই। তাই তাদের কাছে কোনো টাকা প্রদান বা ব্যক্তিগত কাগজপত্র জমা দেবেন না।

আবেদন

আবেদন করবেন

আবেদন করার আগে পুরো তথ্যটি একবার মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। এখানে কাজের ধরন, বেতন, খরচ, কর্মঘণ্টা, চুক্তির মেয়াদ, ভিসা প্রক্রিয়া এবং আপনার দায়িত্ব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া আছে। এগুলো আগে থেকে পরিষ্কারভাবে বুঝে নিলে পরবর্তী ধাপে কোনো বিভ্রান্তি থাকবে না এবং আপনি নিজের জন্য আরও সচেতন ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

আবেদনের ফর্ম