MAYAJAAL INTERNATIONAL
Overseas Employment
সংযুক্ত আরব আমিরাত · Transguard
আবেদন এখন বন্ধ
DAC
DXB
গন্তব্য · দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত

সংযুক্ত আরব আমিরাতে
Transguard-এর কাজ

আবেদন হবে মায়াজাল ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে। কোন কাজ, কত স্যালারী, কত খরচ, আর পেমেন্ট কখন করবেন, পুরোটা এই পেজে লেখা আছে।

কাজ
এয়ারপোর্ট · ওয়্যারহাউজ · কনস্ট্রাকশন · ক্লিনিং
স্যালারী
৮০০ – ১,২০৫ দিরহাম
সব মিলিয়ে খরচ
৳৩,৫০,০০০
টাকা দিবেন কখন
ভিসা নিজের নামে হাতে পাবার পর, এবং পরিপূর্ণ যাচাই করে
আগে কাজের প্রমাণ, তারপর টাকাঅফিসে বসে নিজের মোবাইলে ভিসা যাচাই করার পর পেমেন্ট
সব কাগজ আপনার নামেঅফার লেটার, চুক্তিপত্র আর ভিসা, তিনটাই আপনার নিজের নামে
লাইসেন্স নিজে মিলিয়ে দেখবেনবাংলাদেশের আইনগত কাজ হবে সরকার অনুমোদিত আরএল লাইসেন্সধারী রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে
বুর্জ খলিফা
প্রতিষ্ঠান

কার সাথে
কাজ করবেন

কাজের সুযোগ এসেছে Transguard Group-এর মাধ্যমে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়ার্কফোর্স, সিকিউরিটি আর ফ্যাসিলিটি সার্ভিসের কাজ করে তারা, আর প্রতিষ্ঠানটা Emirates Group ও Al Hail Holding-এর যৌথ উদ্যোগ।

আমিরাতের বিভিন্ন কোম্পানি আর প্রজেক্টের জন্য তারা সারা বছরই কর্মী নেয়। কখনো এয়ারপোর্টের কাজ, কখনো ওয়্যারহাউজ, কখনো কনস্ট্রাকশন, আবার কখনো ক্লিনিং বা ফ্যাসিলিটির কাজ। চাহিদা কখনো এক পদে আটকে থাকে না, সময়ের সাথে বদলায়।

Transguard থেকে যখন যে ডিমান্ড (কর্মী চেয়ে পাঠানো চাহিদাপত্র) আসে, সেই অনুযায়ী মায়াজাল ইন্টারন্যাশনাল সারা বাংলাদেশ থেকে প্রার্থী বাছাই করে। আর বাংলাদেশের ভিতরের আইনগত কাজ, অর্থাৎ বিএমইটি, ম্যানপাওয়ার আর বহির্গমনের অংশ হবে সরকার অনুমোদিত আরএল লাইসেন্সধারী রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে।

মায়াজাল ইন্টারন্যাশনাল কারামায়াজালেরই প্রতিষ্ঠান, বিদেশে কর্মসংস্থানের কার্যক্রম পরিচালনা করে।
BURJ KHALIFA · DOWNTOWN DUBAI · ILLUSTRATION
কাজের তালিকা

কী কী কাজ আছে, আর এখন কোনটায় আবেদন চলছে

Transguard-এর কাজ চার ভাগে পড়ে। নিচের বোর্ডে এখনকার অবস্থা, আর তার নিচে প্রতিটা পদের বিস্তারিত।

পদঅবস্থা
নতুন ডিমান্ড এলে বোর্ড হালনাগাদ হবে
০১

বিমানবন্দর ও এয়ারক্রাফট

লোডার, এয়ারক্রাফট ক্লিনার আর সংশ্লিষ্ট অপারেশনাল কাজ। শিফট ধরে চলে, শারীরিক ফিটনেস বড় শর্ত।

০২

ওয়্যারহাউজ ও লজিস্টিকস

মালামাল ওঠানো-নামানো, সাজানো, প্যাকিং। অভিজ্ঞতার শর্ত তুলনামূলক নরম (ছাড়যোগ্য)।

০৩

কনস্ট্রাকশন

মেসন, শাটারিং কার্পেন্টার, স্টিল ফিক্সার, প্লাম্বার। সাধারণত নিজের ট্রেডে অভিজ্ঞতা লাগবে।

০৪

ক্লিনিং ও ফ্যাসিলিটিজ

বিল্ডিং, অফিস আর ফ্যাসিলিটির নিয়মিত পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ। কাজের ধরন একরকম।

যেসব পদে এখন আবেদন চলছে, সেগুলোর পাশে সবুজ চিহ্ন চিহ্ন না থাকলে ওই পদে এখন লোক নেওয়া হচ্ছে না, তবে আগ্রহ জানিয়ে রাখতে পারবেন, আর নতুন ডিমান্ড এলে আপনাকে জানানো হবে।
আপনি পছন্দ করলেই কাজ চূড়ান্ত হয়ে যাবে না। চলতি ডিমান্ড, আপনার বয়স, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, ইন্টারভিউয়ের ফল আর আপনার নিজের সম্মতি, সব মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত পদ ঠিক হবে। আবেদনের ফর্মে প্রথম পছন্দ আর দ্বিতীয় পছন্দ দিতে পারবেন, আর নির্দিষ্ট কোনো কাজে আটকে না থাকলে “যোগ্যতা অনুযায়ী যেকোনো উপযুক্ত কাজ” অপশনটাও আছে।
স্যালারী ও সুবিধা

স্যালারী কত পাবেন, আর কোম্পানি কী কী দিবে

দিরহামের অঙ্কটাই আসল স্যালারী, টাকার হিসাব আনুমানিক (আপনার বোঝার জন্য)।

পদবেসিকঅ্যালাউন্সমোটটাকায় প্রায়
লোডার৮০০৪০৫১,২০৫৪০,০০০
এয়ারক্রাফট ক্লিনার ও সমমান১,০০৮–১,২০৫৩৩,০০০–৪০,০০০
হেল্পার ও সহায়ক পদ৭০০১০০৮০০২৬,০০০

অফার লেটারে বেসিক, অ্যালাউন্স আর মোট, তিনটাই আলাদা করে লেখা থাকবে, ওখানেই দেখে নিবেন।

চূড়ান্ত স্যালারী লেখা থাকবে আপনার নিজের অফার লেটারেওয়েবসাইটে যা দেখছেন সেটা ওই পদের সাধারণ অঙ্ক, আর আপনার নিজের নামে যে কাগজটা আসবে, সেটাই আপনার জন্য চূড়ান্ত।

কোম্পানি যা দিবে

স্যালারীর পাশাপাশি কোম্পানি দিবে থাকার ব্যবস্থা, কর্মস্থলে যাতায়াত এবং স্বাস্থ্যবিমা, এই তিনটাই।

খাওয়ার খরচ এর মধ্যে ধরা নেই, ওটা আপনাকে নিজেই বহন করতে হবে।

চাকরির চুক্তিচার বছর
প্রবেশনছয় মাস
থাকার ভিসাদুই বছর
ভিসা নবায়ননিয়ম অনুযায়ী

কাজের সময়, সাপ্তাহিক ছুটি, প্রবেশন আর মেয়াদ, সবই আপনার নিজের চুক্তিপত্রে লেখা থাকবে, আর স্বাক্ষরের আগেই আপনি পুরোটা পড়ে দেখার সুযোগ পাবেন। কোনো শর্ত পরিষ্কার না হলে অফিসে জিজ্ঞেস করবেন, আমাদের টিম বুঝিয়ে দিবে।

খরচ

খরচ কত পড়বে

সব মিলিয়ে মোট খরচ৳৩,৫০,০০০
মেডিকেলএর মধ্যেই ধরা
বিএমইটি আর প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্সএর মধ্যেই ধরা
ভিসা আর প্রসেসিংএর মধ্যেই ধরা
বাংলাদেশ থেকে আমিরাত পর্যন্ত বিমানের টিকিটএর মধ্যেই ধরা
বাকি প্রয়োজনীয় প্রসেসিংএর মধ্যেই ধরা
আবেদন থেকে ফ্লাইট পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াএই অঙ্কের মধ্যেই
পেমেন্টএক ধাপে, পুরো টাকা একসাথে
পেমেন্ট

কখন পেমেন্ট করবেন

ভিসা ইস্যু ও যাচাইয়ের পর,
এক ধাপে, রসিদসহ।

পুরো প্রক্রিয়ায় পেমেন্টের ধাপ একটাই, আর সেটা আসবে সবার শেষে। আবেদন, প্রাথমিক যাচাই, দুই ধাপের ইন্টারভিউ, নিজের নামে অফার লেটার আর চুক্তিপত্র, এতগুলো ধাপ শেষ হওয়ার পর তবেই টাকার প্রসঙ্গ আসবে।

সেই প্রসঙ্গ আসবে ভিসা ইস্যু হওয়ার পর। আপনার নিজের নামে ভিসা হলে আপনি অফিসে আসবেন, নিজের মোবাইল দিয়ে আমিরাতের সরকারি ওয়েবসাইটে সেই ভিসা খুলে নিজের নাম, পদ, নিয়োগকর্তা আর মেয়াদ মিলিয়ে দেখবেন, আর মূল কাগজ পাশাপাশি রেখে আরেকবার মিলিয়ে নিবেন।

টাকা গোছানোর সময় পাবেন

আজ পুরো টাকা হাতে না থাকলেও আবেদন করতে আটকাবে না। আপনার কাগজ এগোতে থাকবে, ইন্টারভিউ হবে, অফার লেটার আসবে, ভিসার কাজ চলবে, আর সেই পুরো সময়টা আপনি টাকা গোছানোর জন্য পাবেন।

তবে সিদ্ধান্তটা পরিবারের সাথে বসে নিবেন, আর আবেদন করার আগেই নিবেন।

পেমেন্ট মেথড

পেমেন্ট করবেন অফিসে বসে, মায়াজালের অনুমোদিত সহযোগী প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত অফিসিয়াল চ্যানেলে। প্রতিটা পেমেন্টের বিপরীতে আপনি রসিদ পাবেন।

রসিদ নিয়ে যা জেনে রাখবেনরসিদ ইস্যু হবে মায়াজালের অনুমোদিত সহযোগী প্রতিষ্ঠানের নামে, আর সেখানে আপনার নাম, পাসপোর্ট নম্বর, তারিখ আর টাকার অঙ্ক লেখা থাকবে। রসিদ হাতে না নিয়ে অফিস থেকে বের হবেন না, আর কাগজটা যত্ন করে রাখবেন। পরে কোনো দরকার পড়লে এটাই আপনার প্রমাণ।

আবেদন

ওয়েবসাইটে ফর্ম পূরণ করবেন। নাম, জন্মতারিখ আর পাসপোর্ট নম্বর মূল কাগজের সাথে হুবহু মিলিয়ে দিবেন।

মায়াজাল

প্রাথমিক যাচাই

আমাদের টিম আপনার কাগজ, যোগ্যতা আর অভিজ্ঞতা দেখবে। কিছু লাগলে আমরাই যোগাযোগ করব।

মায়াজাল

ইন্টারভিউ, দুই ধাপে

প্রথমে অনলাইনে কোম্পানির ইন্টারভিউ, মায়াজালের প্রতিনিধি সাথে থাকবেন। এরপর বাংলাদেশে Transguard-এর ডেলিগেটরের সামনাসামনি ইন্টারভিউ।

কোম্পানি

অফার লেটার আর চুক্তিপত্র

নিজের নামে অফার লেটার আসবে, পদ আর স্যালারী লেখা। এরপর চুক্তিপত্র, যেখানে কাজের সময়, ছুটি আর মেয়াদ বিস্তারিত লেখা থাকবে।

Transguard

ভিসা, আর নিজের হাতে যাচাই

অফিসে বসে নিজের মোবাইল দিয়ে আমিরাতের সরকারি ওয়েবসাইটে নিজের ভিসা নিজে যাচাই করবেন। নাম, পদ, নিয়োগকর্তা আর মেয়াদ, সবই স্ক্রিনে দেখতে পাবেন।

আপনি

কাগজ মেলানো, তারপর পেমেন্ট

মূল ভিসা, অফার লেটার আর চুক্তিপত্র পাশাপাশি রেখে মিলিয়ে দেখবেন। সব মিললে পেমেন্ট, রসিদসহ।

আপনি
বিস্তারিত

প্রতিটা ধাপে ঠিক কী হবে

যেটা নিয়ে জানতে চান, তার উপর ছুঁলে খুলবে।

ধাপ ১ · আবেদন

মায়াজাল ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইটে ফর্ম পূরণ করবেন। কোনো ফি লাগবে না।

ফর্মে আপনার নাম, জন্মতারিখ, পাসপোর্টের তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা, ভাষার দক্ষতা আর যোগাযোগের তথ্য দিতে হবে। পদ অনুযায়ী পাসপোর্ট, ছবি, সনদ বা অভিজ্ঞতার কাগজ আপলোড করতে বলা হতে পারে।

সাবমিট করার আগে একবার মিলিয়ে দেখবেন, নামের বানান, জন্মতারিখ আর পাসপোর্ট নম্বর মূল কাগজের সাথে হুবহু মিলছে কি না। এই জায়গায় একটা অক্ষরের গরমিল পরে ভিসার ধাপে গিয়ে আটকে দিবে।

ধাপ ২ · আমাদের প্রাথমিক যাচাই

আবেদন সরাসরি কোম্পানির কাছে চলে যাবে না। আগে আমাদের টিম আপনার তথ্য আর কাগজ দেখবে। ঠিক কী কী দেখা হবে:

  • পাসপোর্টের মেয়াদ ঠিক আছে কি না
  • আপনি যে কাজ বেছেছেন, তার প্রাথমিক শর্ত আপনি পূরণ করেন কি না
  • আপনার অভিজ্ঞতা আর দক্ষতা ওই পদের সাথে যায় কি না
  • কাজের নির্দেশ বোঝার মতো ইংরেজি আছে কি না
  • আবেদনে কোনো ভুল, গরমিল বা একই মানুষের একাধিক আবেদন আছে কি না
  • আপনি যে পদ বেছেছেন, সেখানে তখনো ডিমান্ড চালু আছে কি না

কোনো কাগজ না থাকলে বা কিছু পরিষ্কার করার দরকার হলে আমাদের টিম নিজেই আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনাকে বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে খোঁজ নিতে হবে না।

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাওয়া কাগজ না দিলে আবেদন আটকে যেতে পারে, কিংবা চলতি ডিমান্ডের ইন্টারভিউ তালিকায় আপনার নাম না-ও উঠতে পারে।

ধাপ ৩ · ইন্টারভিউ, আর প্রস্তুতি যেভাবে নিবেন

প্রথম ধাপ, অনলাইনে কোম্পানির ইন্টারভিউ। পুরো সময় মায়াজালের একজন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

দ্বিতীয় ধাপ, বাংলাদেশে সরাসরি ইন্টারভিউ। Transguard-এর ডেলিগেটর বাংলাদেশে আসবেন, আর সামনাসামনি কথা হবে। কাগজ মিলিয়ে দেখা হবে, প্রয়োজনে কাজের দক্ষতাও যাচাই করা হতে পারে।

প্রস্তুতি যেভাবে নিবেন:

  • ইন্টারভিউয়ের সময় পাসপোর্ট আর প্রয়োজনীয় কাগজগুলো হাতের কাছে রাখবেন
  • নিজের পরিচয়, আগের কাজের অভিজ্ঞতা আর কেন এই কাজ করতে চান, এটুকু গুছিয়ে বলতে পারলেই যথেষ্ট
  • কাজ অনুযায়ী সাধারণ ইংরেজিতে দুয়েকটা প্রশ্ন আসতে পারে। খুব ভালো ইংরেজি লাগবে না
  • বাড়িয়ে কিছু বলবেন না। ফর্মে যা লিখেছেন আর ইন্টারভিউতে যা বলবেন, দুইটা এক হতে হবে
  • অনলাইন ইন্টারভিউয়ের দিন ইন্টারনেট আর ফোনটা আগে থেকে দেখে রাখবেন

ইন্টারভিউতে কাউকে পাশ করিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের নেই, ওটা পুরোপুরি কোম্পানির সিদ্ধান্ত। আমাদের কাজ আপনার কাগজপত্র ঠিকঠাক করে দেওয়া, আর কোন ধাপে কী লাগবে সেটা আগে থেকে জানিয়ে দেওয়া।

ধাপ ৪ · অফার লেটার আর চুক্তিপত্র

নির্বাচিত হলে Transguard থেকে আপনার নিজের নামে অফার লেটার আসবে। সেখানে আপনার নাম, পাসপোর্টের তথ্য, আপনার পদ, আর বেসিক-অ্যালাউন্স-মোট স্যালারী লেখা থাকবে।

অফার লেটার হাতে পেয়ে তাড়াহুড়া করে স্বাক্ষর করবেন না। আগে দেখে নিবেন নাম আর পাসপোর্টের তথ্য ঠিক আছে কি না, পদ ইন্টারভিউতে যা বলা হয়েছিল তার সাথে মিলছে কি না, আর স্যালারীর হিসাব পরিষ্কার কি না।

অফার লেটার আর চুক্তিপত্র এক জিনিস না। অফার লেটারে কোম্পানি আপনাকে একটা পদে চাকরির প্রস্তাব দিবে। আপনি পড়ে, বুঝে সম্মতি দেওয়ার পর তৈরি হবে চুক্তিপত্র, যেখানে কাজের সময়, বিরতি, সাপ্তাহিক ছুটি, প্রবেশন, চুক্তির মেয়াদ আর ছুটির নিয়ম বিস্তারিত লেখা থাকবে।

বিদেশে গিয়ে আপনার নামে ইস্যু হওয়া অফার লেটার আর চুক্তিপত্রে যা লেখা থাকবে, সেটাই আপনার চাকরির শর্ত।

ধাপ ৫ · ভিসা, আর নিজের হাতে যাচাই

অফার লেটার আর চুক্তিপত্রের কাজ শেষ হলে আপনার নামে ভিসা বা এন্ট্রি পারমিটের (আমিরাতে ঢোকার অনুমতিপত্র) প্রসেসিং শুরু হবে। এর আগে পদ আর কোম্পানির চাহিদা অনুযায়ী মেডিকেল, কাগজপত্র যাচাই কিংবা কোনো ক্লিয়ারেন্স লাগতে পারে।

মেডিকেল বা কাগজ যাচাইয়ের সময় সব তথ্য সত্য দিবেন। আগে কোনো বড় অসুস্থতা বা অপারেশন থাকলে সেটা গোপন করবেন না, কারণ এসব পরে ধরা পড়লে সমস্যা অনেক বড় হয়ে যাবে।

এরপরের ধাপটাই পুরো প্রক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। আপনার নামে ভিসা ইস্যু হলে আপনি অফিসে আসবেন, হাতে থাকবে নিজের পাসপোর্ট। নিজের মোবাইল ফোন দিয়ে আমিরাতের সরকারি ওয়েবসাইট খুলবেন, আর নিজের পাসপোর্ট নম্বর কিংবা ইউআইডি (আমিরাতের নিজস্ব আইডি নম্বর) লিখবেন।

কয়েক সেকেন্ড পর স্ক্রিনে দেখতে পাবেন আপনার নিজের নাম, পাসপোর্টের তথ্য, কাজের পদ, নিয়োগকর্তার ঘরে Transguard-এর নাম, আর ভিসার মেয়াদ।

  • যাচাইয়ের সরকারি ঠিকানা অফিসে বসে আমাদের টিম নিজে খুলে দিবে, আপনার নিজের ফোনে
  • স্ক্রিনে যা আসবে, সেটা আপনি নিজের চোখে দেখবেন

সরকারি ওয়েবসাইটে ভিসা, নিয়োগকর্তা, পদ আর মেয়াদ দেখা যাবে। কিন্তু স্যালারী, অ্যালাউন্স, থাকা-যাতায়াত-বিমা, কাজের সময় বা ছুটি, এসব ওখানে থাকবে না। এগুলো দেখবেন আপনার অফার লেটার আর চুক্তিপত্রে।

ধাপ ৬ · কাগজ মেলানো, তারপর পেমেন্ট

অনলাইনে যাচাই শেষ হলে অফিসে আপনার মূল ভিসা, অফার লেটার আর চুক্তিপত্র পাশাপাশি রেখে মিলিয়ে দেখবেন। নাম, পাসপোর্ট নম্বর, পদ, নিয়োগকর্তা, সব।

কোথাও কোনো গরমিল বা অস্পষ্টতা থাকলে পেমেন্ট করার আগেই সেটা পরিষ্কার করে নিবেন।

সব মিলে গেলে তারপর পেমেন্ট করবেন, এক ধাপে সম্পূর্ণ টাকা, নির্ধারিত অফিসিয়াল চ্যানেলে, রসিদসহ।

পেমেন্টের পর · বিএমইটি, ক্লিয়ারেন্স, টিকিট

বিএমইটির প্রশিক্ষণ। বিদেশে কাজের পরিবেশ কেমন, নিজের অধিকার আর দায়িত্ব কী, কাগজপত্র কীভাবে সামলে রাখবেন, আর বিপদে পড়লে কোথায় সাহায্য চাইবেন, এসব এখানে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। সাধারণত তিন কর্মদিবসের মতো সময় লাগবে, শেষে একটা সার্টিফিকেট পাবেন।

ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স (বিদেশ যাওয়ার সরকারি ছাড়পত্র)। স্বাভাবিক অবস্থায় সাত থেকে দশ কর্মদিবসের মধ্যে হয়ে যাবে। তবে সরকারি যাচাই, কাগজ সংশোধন, ছুটির দিন কিংবা কর্তৃপক্ষের বাড়তি কোনো চাহিদা থাকলে সময় কিছুটা কমবেশি হতে পারে, তাই এই দিনের হিসাব নিশ্চিত সময়সীমা না ধরে সাধারণ একটা ধারণা হিসেবেই রাখবেন।

টিকিট আর যাত্রা। ক্লিয়ারেন্সের পর টিকিটের ব্যবস্থা হবে। টিকিট হাতে পাওয়ার আগে নিজে থেকে যাত্রার তারিখ ধরে কোনো পরিকল্পনা করবেন না।

যাত্রার আগে যা গুছিয়ে রাখবেন। পাসপোর্ট, ভিসা, অফার লেটার, চুক্তিপত্র, বিএমইটির সার্টিফিকেট, ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্সের কাগজ, টিকিট আর রসিদ, সব একটা ফাইলে একসাথে রাখবেন। প্রতিটার একটা করে ফটোকপি পরিবারের কাছে রেখে যাবেন, আর নিজের ফোনেও ছবি তুলে রাখবেন। মূল কাগজ নিজের হাতে বহন করবেন, লাগেজে দিবেন না।

ভিসা হওয়ার পর হাতে কতটা সময় পাবেন ভিসা ইস্যু হওয়ার পর সাধারণত ত্রিশ দিনের মধ্যে যাত্রার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, আর চূড়ান্ত সময়সীমা লেখা থাকবে ভিসাতেই। ওই সময়ে গিয়ে “আরেকটু ভেবে দেখি” বলার সুযোগ আর থাকবে না। তাই পরিবারের সিদ্ধান্ত, টাকা, পাসপোর্ট আর মানসিক প্রস্তুতি, এগুলো আবেদন করার আগেই ঠিক করে রাখবেন।
আপনার কাগজ

পেমেন্টের আগে আপনার হাতে যা থাকবে

পেমেন্ট করার ঠিক আগমুহূর্তে আপনার কাছে চারটা জিনিস থাকবে।

Transguard-এর অফার লেটার

আপনার নিজের নামে, আপনার পাসপোর্টের তথ্য, পদ আর স্যালারী লেখা।

চাকরির চুক্তিপত্র

কাজের সময়, সাপ্তাহিক ছুটি, প্রবেশন আর মেয়াদসহ।

নিজের নামে মূল ভিসা

বা এন্ট্রি পারমিট, আপনার নিজের নামে ইস্যু হওয়া।

সরকারি ওয়েবসাইটে নিজের করা যাচাই

যেখানে নিজের নাম, নিজের পদ আর নিয়োগকর্তার নাম আপনি নিজের চোখে দেখেছেন।

এই চারটা মিলে যাওয়ার পরেই পেমেন্ট হবে, আর যাত্রার আগে এর সাথে যোগ হবে বিএমইটির সার্টিফিকেট, ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স আর টিকিট। বিদেশে গিয়ে কোনো দরকার পড়লে এই কাগজগুলোই কাজে লাগবে।

বুর্জ আল আরব
আমিরাতে

পৌঁছানোর পর
কী কী হবে

আমিরাতে নামার দিন থেকে কাজে যোগ দেওয়ার দিন পর্যন্ত ধাপগুলো এভাবে এগোবে, আর কোন ধাপে কী লাগবে সেটা আগে থেকেই জানিয়ে দেওয়া হবে।

  1. এয়ারপোর্টে নামার পরকে আপনাকে নিতে আসবে সেটা যাত্রার আগেই জানিয়ে দেওয়া হবে, সাথে জরুরি যোগাযোগের নম্বরও। আগে থেকে জানানো এই নির্দেশনার বাইরে কারও সাথে কোথাও যাবেন না।
  2. থাকার জায়গায় পৌঁছেপাসপোর্ট, ভিসা, অফার লেটার আর চুক্তিপত্র আবার একবার মিলিয়ে দেখা হতে পারে। এরপর মেডিকেল আর বসবাস-সংক্রান্ত কাগজের কাজ শুরু হবে।
  3. এমিরেটস আইডিওখানে বসবাস আর কাজের পরিচয়পত্র তৈরি হবে এই ধাপে। 【কতদিন লাগবে — বাকি】
  4. কোম্পানির ট্রেনিংআপনার কাজের দায়িত্ব, কর্মস্থলের নিরাপত্তার নিয়ম আর উপস্থিতি ও শৃঙ্খলার নিয়ম বুঝিয়ে দেওয়া হবে। 【কতদিন লাগবে — বাকি】
  5. কাজে যোগদানট্রেনিং শেষে নির্ধারিত কর্মস্থলে যোগ দিবেন।
শর্ত বদলানোর প্রস্তাব এলেট্রেনিংয়ের ফল বা কোম্পানির প্রয়োজন অনুযায়ী পদ, স্যালারী বা শর্তে পরিবর্তনের প্রস্তাব আসতে পারে। না বুঝে রাজি হবেন না, লিখিতভাবে দেখে তারপর সিদ্ধান্ত নিবেন।
BURJ AL ARAB · JUMEIRAH · ILLUSTRATION
যাত্রার পর

কাজে যোগ দেওয়ার দিন পর্যন্ত ফলো-আপ চলবে

আপনি পৌঁছেছেন কি না, থাকার জায়গা পেয়েছেন কি না, মেডিকেল আর কাগজের কাজ শুরু হয়েছে কি না, ট্রেনিং শেষ হয়েছে কি না, আর শেষ পর্যন্ত কাজে যোগ দিয়েছেন কি না, প্রতিটা ধাপে আমরা খোঁজ রাখব।

যাত্রার আগেই আমাদের সাপোর্ট নম্বর বাড়িতেও রেখে যাবেন। আপনি রওনা দেওয়ার পর বাবা-মা বা স্ত্রীও ওই নম্বরে ফোন করে আপনার খোঁজ নিতে পারবেন।

কোথাও দেরি বা কোনো সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জানাবেন। সাপোর্ট নম্বর ০১৯৪৯৬০৯৭৭৪

অফিস ও লাইসেন্স

নিজে যাচাই করে তারপর এগোবেন

নিজে
যাচাই করবেনVERIFY

লাইসেন্স নিজে মিলিয়ে দেখবেন

বাংলাদেশের ভিতরের আইনগত কাজ হবে সরকার অনুমোদিত আরএল লাইসেন্সধারী রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে। নিচের নম্বর সরকারি তালিকায় আপনি নিজেই মিলিয়ে দেখতে পারবেন।

সরকারি ওয়েবসাইটে যাবেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্ল্যাটফর্ম oep.gov.bd/agencies
আরএল নম্বর ইংরেজিতে লিখে খুঁজবেন সরকারি তালিকায় এজেন্সির নাম আর নম্বর দুটোই ইংরেজিতে, তাই নিচের ব্যাজে যেভাবে আছে হুবহু সেভাবেই লিখবেন
স্ট্যাটাস Active আছে কি না দেখে নিবেন একই পেজে লাইসেন্সের মেয়াদও দেখতে পারবেন
Licensed Recruiting Agency
জাবাল আরাফাত ওভারসিজ (Jabal Arafat Overseas)
RL 2974 · সরকারি তালিকায় যাচাইযোগ্য

অফিসে কখন যাবেন

অফিসের সময়: 【___】

বাবা-মা বা স্ত্রীকে সাথে নিয়ে আসতে পারেন। কাগজপত্র দেখতে চাইলে দেখতে পারবেন, আর যা জানার সামনাসামনি বসে জেনে নিতে পারবেন।

অফিসে সাধারণত তিনবার আসবেন

  1. প্রথমবারইন্টারভিউ আর প্রাথমিক কাগজপত্র যাচাই।
  2. দ্বিতীয়বারভিসা আর ইউআইডি যাচাই, মূল ভিসা দেখা, সম্পূর্ণ পেমেন্ট আর রসিদ নেওয়া।
  3. তৃতীয়বারবিএমইটি, টিকিট, যাত্রার ব্রিফিং আর কাগজপত্র বুঝে নেওয়া।

একাধিক কাজ একই দিনে শেষ হতে পারে। কোন দিন কী কী সঙ্গে আনবেন, প্রতিবার আসার আগে জানিয়ে দেওয়া হবে, আর তারিখও আগে থেকে ঠিক করে নেওয়া হবে।

ঢাকার বাইরে থেকে হলে আবেদন আর প্রাথমিক বাছাই অনলাইনেই হয়ে যাবে। অফিসে আসার দিন আগে থেকে ঠিক করে জানিয়ে দেওয়া হবে, যাতে একদিনেই কাজ সেরে ফিরতে পারেন।

কোন কাজ কে করবে

কাজকে করবেপ্রমাণ কী
প্রার্থী বাছাই, কাগজ যাচাই, ইন্টারভিউ সমন্বয়, শুরু থেকে শেষ যোগাযোগমায়াজাল ইন্টারন্যাশনালএই ওয়েবসাইট ও অফিস
বিএমইটি, ম্যানপাওয়ার আর বহির্গমনের আইনগত কাজআরএল লাইসেন্সধারী এজেন্সিRL 2974, সরকারি তালিকায়
পেমেন্ট গ্রহণ আর রসিদ প্রদানঅনুমোদিত সহযোগী প্রতিষ্ঠানঅফিসিয়াল রসিদ
প্রার্থী চূড়ান্ত নির্বাচনTransguardঅফার লেটার
ভিসার সিদ্ধান্তআমিরাতের কর্তৃপক্ষসরকারি পোর্টালে যাচাই

কোন ধাপে কার দায়িত্ব কতটুকু, অফিসে বসে সেটা আপনাকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

যোগ্যতা

আপনি যোগ্য কি না

এগুলো সাধারণ শর্ত। পদভেদে কিছুটা কমবেশি হবে, আর চূড়ান্ত শর্ত আসবে চলতি ডিমান্ড আর আপনার নিজের অফার লেটার থেকে।

বয়সসাধারণত ২১ থেকে ৩৯ বছর
শিক্ষাগত যোগ্যতাসাধারণত ন্যূনতম এসএসসি বা সমমান
উচ্চতাবিমানবন্দর সংক্রান্ত পদে সাধারণত অন্তত ১৬০ সেন্টিমিটার, প্রায় ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি
অভিজ্ঞতাসংশ্লিষ্ট কাজে সাধারণত অন্তত এক বছর
ইংরেজিকাজের নির্দেশ বুঝতে পারার মতো, খুব ভালো ইংরেজি লাগবে না
শারীরিক অবস্থামেডিকেলি ফিট, আর দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করতে পারবেন
পাসপোর্টের মেয়াদ【নিশ্চিত করা বাকি】
পাসপোর্ট এখনো না থাকলে আগে সেটা করে নিবেননতুন ডিমান্ড এলে যার কাগজ তৈরি আছে, তার প্রক্রিয়া আগে এগোতে পারবে।
শব্দকোষ

যে শব্দগুলো বারবার শুনবেন

কাগজে আর কথায় এই শব্দগুলো আসবে। অর্থ আগে থেকে জানা থাকলে পড়ে বুঝতে সুবিধা হবে।

অফার লেটার
কোম্পানির দেওয়া চাকরির প্রস্তাবপত্র, আপনার নিজের নামে। পদ, বেসিক, অ্যালাউন্স আর মোট স্যালারী এখানে লেখা থাকবে।
এমপ্লয়মেন্ট কন্ট্রাক্ট
চাকরির চুক্তিপত্র। অফার লেটারের পরের কাগজ, আর এখানে কাজের সময়, সাপ্তাহিক ছুটি, প্রবেশন আর মেয়াদ বিস্তারিত থাকবে।
প্রবেশন
চাকরির শুরুর দিকের পরীক্ষামূলক সময়। এখানে ছয় মাস।
আরএল নম্বর
রিক্রুটিং লাইসেন্স নম্বর। সরকার অনুমোদিত এজেন্সির পরিচয় নম্বর, আর সরকারি তালিকায় এই নম্বর দিয়ে খুঁজলে এজেন্সি সচল কি না দেখা যাবে।
বিএমইটি
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো। বিদেশ যাওয়ার আগে এখানকার প্রশিক্ষণ আর নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।

FAQ

আবেদন করতে কি কোনো টাকা লাগবে?

না। আবেদন, প্রাথমিক যাচাই আর দুই ধাপের ইন্টারভিউ, কোনোটাতেই টাকা লাগবে না।

ফর্ম পূরণ করলেই কি চাকরি নিশ্চিত?

না। কাগজপত্রের যাচাই আছে, দুই ধাপের ইন্টারভিউ আছে, তারপর কোম্পানির চূড়ান্ত নির্বাচন আছে। প্রতিটা ধাপ পার হওয়ার পরেই অফার লেটার আর ভিসার কাজ শুরু হবে।

আবেদন থেকে ফ্লাইট পর্যন্ত মোট কতদিন লাগবে?

【___】

ইন্টারভিউতে বাদ পড়লে কী হবে?

কেউ সরাসরি নির্বাচিত হবেন, কাউকে পরের ডিমান্ডের জন্য অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হবে, আবার শর্ত পূরণ না হলে কেউ নির্বাচিত না-ও হতে পারেন। অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকলে নতুন ডিমান্ড এলে আপনাকে জানানো হবে।

আমার আবেদন কোন অবস্থায় আছে, জানব কীভাবে?

আমরাই জানাব। কোন ধাপ শেষ হয়েছে আর পরের ধাপে কী করবেন, আমাদের টিম আপনার সাথে যোগাযোগ রাখবে।

দেরি হচ্ছে কেন?

সাধারণত কয়েকটা কারণে দেরি হতে পারে। চাওয়া কাগজ সময়মতো না দেওয়া, মেডিকেল বা কোনো ধাপে অনুপস্থিত থাকা, তথ্যে গরমিল থাকা, কিংবা সরকারি যাচাইয়ে অতিরিক্ত সময় লাগা। কোনো কারণে আটকে থাকলে আমরা জানিয়ে দিব।

ভিসা না হলে টাকার কী হবে?

পেমেন্ট হবে ভিসা ইস্যু ও যাচাইয়ের পর। ভিসা না হলে প্রক্রিয়া তার আগেই থামবে, পেমেন্টের ধাপ আসবে না।

খাওয়ার খরচ কে দিবে?

খাওয়া নিজের। কোম্পানি দিবে থাকার ব্যবস্থা, কর্মস্থলে যাতায়াত আর স্বাস্থ্যবিমা, এই তিনটা।

স্যালারী কবে থেকে শুরু হবে?

【___】

দেশে টাকা পাঠাব কীভাবে?

【___】

আগে কখনো বিদেশ যাইনি, সমস্যা হবে?

না। প্রথমবার যাচ্ছেন কি না সেটা শর্ত না। পদ অনুযায়ী যে অভিজ্ঞতা চাওয়া হবে, সেটা ওই কাজের অভিজ্ঞতা, বিদেশে থাকার অভিজ্ঞতা না।

বয়স ৩৯ পার হয়ে গেছে, হবে?

সাধারণ শর্ত ২১ থেকে ৩৯। তবে চূড়ান্ত শর্ত আসবে চলতি ডিমান্ড থেকে, তাই কাছাকাছি থাকলে আবেদন করে দেখতে পারেন।

আগে কোনো অসুস্থতা বা অপারেশন ছিল, বলতে হবে?

হ্যাঁ, বলবেন। মেডিকেলে এসব ধরা পড়বে, আর গোপন করলে পরে ভিসার ধাপে বা আমিরাতে গিয়ে সমস্যা অনেক বড় হয়ে যাবে। শুরুতেই সত্যি বলাটা আপনার নিজের নিরাপত্তার জন্যই ভালো।

মেডিকেলে সমস্যা ধরা পড়লে কী হবে?

মেডিকেল হবে পেমেন্টের অনেক আগে। ফল অনুযায়ী প্রক্রিয়া এগোবে কি না ঠিক হবে, আর কারণটা আমাদের টিম আপনাকে জানিয়ে দিবে।

একই পাসপোর্টে একাধিক আবেদন করা যাবে?

না। এক পাসপোর্টের বিপরীতে একটাই সক্রিয় আবেদন নেওয়া হবে। আলাদা নম্বর বা আলাদা ইমেইল দিয়ে দ্বিতীয়বার আবেদন করবেন না।

একাধিক কাজে আগ্রহ দেখানো যাবে?

যাবে। ফর্মে প্রথম পছন্দ আর দ্বিতীয় পছন্দ দিতে পারবেন। নির্দিষ্ট কোনো কাজে আটকে না থাকলে “যোগ্যতা অনুযায়ী যেকোনো উপযুক্ত কাজ” অপশনটাও আছে।

পছন্দের কাজ এখন তালিকায় নেই, কী করব?

ওই পদের পাশে আগ্রহ জানিয়ে রাখবেন। নতুন ডিমান্ড এলে আপনাকে জানানো হবে, তখন আবেদন এগিয়ে নিতে পারবেন।

পাসপোর্ট নেই, এখন কী করব?

পাসপোর্ট ছাড়া প্রক্রিয়া এগোবে না। এখনই করে ফেলবেন, তাহলে নতুন ডিমান্ড এলে সময়মতো এগোতে পারবেন।

ফেসবুকে বা ইনবক্সে কেউ প্রস্তাব দিলে?

আবেদন হবে একটাই জায়গায়, মায়াজাল ইন্টারন্যাশনালের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে। ইনবক্স, কমেন্ট বা কারও পাঠানো লিংক থেকে আবেদন হবে না।

শিফট আর ওভারটাইম কীভাবে হবে?

শিফট নির্ভর করবে পদ আর কর্মস্থলের উপর, আর সেটা পদভেদে আলাদা হবে। কাজের সময়, বিরতি, সাপ্তাহিক ছুটি আর ওভারটাইমের নিয়ম, সবই আপনার নিজের চুক্তিপত্রে লেখা থাকবে। স্বাক্ষরের আগেই পুরোটা পড়ে দেখার সুযোগ পাবেন, আর যেটা বুঝবেন না অফিসে বসে জিজ্ঞেস করতে পারবেন।

পরের ধাপ

আবেদন করবেন যেভাবে

আবেদনের ফর্ম আলাদা পেজে। যে কাজে আবেদন করবেন সেটা বেছে নিয়ে ফর্মে যাবেন, আর পাসপোর্ট সামনে রেখে পূরণ করবেন।

  1. তথ্য কাগজের সাথে হুবহু মিলতে হবেনামের বানান, জন্মতারিখ আর পাসপোর্ট নম্বর।
  2. ভিসার পর ত্রিশ দিনওই সময়ের মধ্যে যাত্রার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
MAYAJAAL INTERNATIONALOVERSEAS EMPLOYMENT
DAC
ঢাকা
DXB
দুবাই
নিয়োগকর্তাTransguard Group
চুক্তির মেয়াদ৪ বছর
আবেদন এখন বন্ধ
DAC DXB
ROUTEঢাকা → দুবাইRL AGENCYRL 2974
EMPLOYER · TRANSGUARD GROUP, UAE

প্রতিনিধি বা পার্টনার হিসেবে যুক্ত হতে চাইলে

প্রার্থীর আবেদন আর কাগজপত্র, সবই সরাসরি মায়াজাল ইন্টারন্যাশনালের সাথে।

এলাকার প্রতিনিধি

নিজের জেলা, উপজেলা বা ইউনিয়নে মানুষকে সঠিক তথ্য আর অফিসিয়াল আবেদন প্রক্রিয়া বুঝিয়ে দেওয়াই প্রতিনিধির কাজ। দায়িত্বের পরিধি আর প্রযোজ্য শর্ত ঠিক হবে লিখিত অনুমোদনে।

প্রতিনিধি হিসেবে আবেদন

রিক্রুটিং এজেন্সি ও প্রতিষ্ঠান

সরকার অনুমোদিত আরএল লাইসেন্সধারী রিক্রুটিং এজেন্সি বা বৈধ ম্যানপাওয়ার প্রতিষ্ঠান বিএমইটি আর বহির্গমন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারবে। লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স আর অফিসের তথ্য যাচাইয়ের পর পরবর্তী আলোচনা হবে।

প্রতিষ্ঠান হিসেবে আবেদন
আবেদন এখন বন্ধ