← মূল পেজ
আবেদন

পর্তুগালের কাজের আবেদন

পাসপোর্টটা হাতে নিয়ে, খুলে, দেখে দেখে পূরণ করবেন। নামের বানান বা জন্মতারিখে একটা অক্ষরের গরমিলও পরে ভিসার ধাপে গিয়ে আটকে দিবে।

কাজ, খরচ, পেমেন্ট আর পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে সবকিছু পর্তুগালের পেজে লেখা আছে। আবেদনের আগে একবার পড়ে নিবেন।

১ · ব্যক্তিগত ও যোগাযোগ
২ · পাসপোর্ট
আপনার পাসপোর্ট আছে?
পাসপোর্ট নম্বর এখানে লাগবে না। অফিসে আসল পাসপোর্ট দেখেই নেওয়া হবে।
৩ · ইন্ডিয়ান ভিসা
আপনার কি অলরেডি বৈধ ইন্ডিয়ান ভিসা আছে?
ভিসার ধরন
ভিসার মেয়াদ কি এখন থেকে দুই মাসের বেশি আছে?
৪ · আগে বিদেশে যাওয়া
গত বারো মাসের মধ্যে দেশের বাইরে ছিলেন?
এক বছরের বেশি সময় আগে কখনো বিদেশে গিয়েছেন?
৫ · পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও শারীরিক অবস্থা
বর্তমানে আপনার নামে কোনো ফৌজদারি মামলা আছে?
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট করতে পারবেন?
গুরুতর কোনো শারীরিক সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতা আছে?

সমস্যাটা কী, সেটা অফিস ইন্টারভিউতে সামনাসামনি জেনে নেওয়া হবে। এখানে লিখতে হবে না।

৬ · আর্থিক প্রস্তুতি

সততার সাথে উত্তর দিবেন। খরচের পুরো হিসাব পর্তুগালের পেজে ভাঙা করে লেখা আছে।

মোট খরচ ২৩ লাখ টাকা — এটা আপনি জানেন?
পুরো প্রক্রিয়ার জন্য টাকার ব্যবস্থা করতে পারবেন?
শুরুতে ৩ লাখ টাকা দিতে পারবেন?
চুক্তিপত্রে স্বাক্ষরের দিন। ভিসা না হলে ফেরতের নিয়ম পর্তুগালের পেজে লেখা আছে।
৭ · পরিবার ও কাজ
আপনার পরিবার বিষয়টা জানে?
পরিবার এই সিদ্ধান্তে সম্মত?
শারীরিক পরিশ্রম করতে রাজি?
কোম্পানির অধীনে চুক্তির মেয়াদ পর্যন্ত কাজ করতে রাজি?
৮ · ঘোষণা

আবেদনে কোনো ফি নেই। জমা দেওয়ার পর আমরাই আপনার সাথে যোগাযোগ করব।

আবেদন জমা হয়েছে

আপনার আবেদন নম্বর

নম্বরটা লিখে রাখবেন। আমাদের টিম আপনার তথ্য আর কাগজপত্র যাচাই করবে, আর যোগ্য বিবেচিত হলে আমরাই ফোন করব। আপনাকে কোথাও ফোন করে খোঁজ নিতে হবে না।